Breaking

Post Top Ad

Wednesday, January 14, 2026

নদীর কূলে জাগ্রত

 নদীর কূলে জাগ্রত


 আমি তানিয়া ইসলাম,

২৯ বছরের একজন ফ্রিল্যান্স ট্রাভেল ব্লগার।

আমার উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ত্বক শ্যামলা,

শরীর ৩৬-২৬-৩৮—একটা প্রাকৃতিক লোভনীয়তার ছোঁয়া।

আমার দুধ গোল, শক্ত, বোঁটা গাঢ় কফির রঙ, উত্তেজনায় ঠেলে ওঠে।

আমার কোমর সরু, পাছা ভরাট—হাঁটলে দোলে, পথিকের চোখ টানে।

আমি ঢাকায় থাকি, কিন্তু ভ্রমণ আমার নেশা।

জাফলংয়ের পাহাড়, নদী, আর সবুজ আমাকে ডাকে। ছয় মাস আগে

ফেসবুকে সৈকত রহমানের সাথে আলাপ। সৈকত—৩৩ বছর, ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি, গায়ের রঙ মাটির মতো, পেশিবহুল, শক্ত—একজন ন্যাচারালিস্ট এবং গাইড।

তার গল্পে পাহাড়ের রোমাঞ্চ, চোখে আদিম আগুন। আমাদের বন্ধুত্ব গভীর হয়েছে, কিন্তু কখনো শরীরী সীমা পেরোইনি। এটা জোর নয়, ভালোবাসাও নয়—একটা অব্যক্ত কামনা, যা জাফলংয়ের নদীর তীরে উন্মোচিত হল।



সৈকতের সাথে আমার আলাপ ফেসবুকের একটা ট্রাভেল গ্রুপে।

তার পোস্ট—জাফলংয়ের ঝর্ণা, পাথরের গল্প, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ জল—আমাকে টানত।

আমরা চ্যাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করতাম।

কখনো সে বলত, “তানিয়া, তুই একদিন জাফলং আয়, আমি তোকে নদীর গোপন জায়গা দেখাব।”

আমি হাসতাম, “সৈকত, আমি তোর গাইডের ফাঁদে পড়ব না!”

কিন্তু তার গলার সুর, তার শব্দে একটা টান ছিল।

আমার শরীরে শিহরণ জাগত, কিন্তু আমি নিজেকে সামলাতাম।

গতকাল সৈকত বলল, “তানিয়া, এবার আর কথা নয়। জাফলং আয়, আমি পিয়াইন নদীর তীরে সন্ধ্যা দেখাব।”

আমার মনে উত্তেজনা, একটু ভয়ও। আমি একা মেয়ে, সৈকতের সাথে এত দূরে?

কিন্তু আমার ভ্রমণের নেশা আর তার ডাক আমাকে ঠেলে দিল।

18+ হলে এইটা miss করবেন না 👀

আমি বললাম, “ঠিক আছে, সৈকত। কিন্তু শুধু নদী আর পাহাড়, বুঝলি?” সে হাসল, “তানিয়া, আমি ভদ্রলোক।”

এপ্রিলের শেষ বিকেল। আমি জাফলং পৌঁছালাম।

টাইট সাদা ট্যাঙ্ক টপ পরলাম, ক্লিভেজ হালকা উঁকি দিচ্ছে, কালো শর্টস, ৩৬ডি কালো স্পোর্টস ব্রা আর প্যান্টি।

আমার দুধ টপে ঠেলে উঠছে, পাছা শর্টসে ফুটে উঠছে।

পিয়াইন নদীর তীরে সৈকত অপেক্ষা করছিল—খাকি শার্ট, কার্গো প্যান্ট, চোখে সানগ্লাস। তার শরীরের গঠন, হাসি—আমার বুক কেঁপে উঠল।

“তানিয়া, তুই এসে জাফলংকে আরো সুন্দর করলি,” সে ফিসফিস করল।

আমি হাসলাম, “সৈকত, তোর কথায় নদীও লজ্জা পাবে।”

আমরা নদীর তীরে হাঁটতে লাগলাম।

পাথরের ওপর বসে সূর্যাস্ত দেখছিলাম। সৈকত গল্প বলছিল—নদীর উৎস, পাহাড়ের পাখি।

তার কাঁধ আমার কাঁধে ঘষল, আমার শরীরে শিহরণ।

আমি বললাম, “সৈকত, তুই খুব কাছে চলে আসিস।”

সে হাসল, “তানিয়া, নদীও তো আমাদের কাছে টানছে।”

হঠাৎ আমার পা পিছলে গেল, নদীর পাথরে পড়তে যাচ্ছিলাম।

সৈকত আমাকে ধরল, তার বাহু আমার কোমরে। আমাদের চোখাচোখি।

আমার শরীরে আগুন। আমি ফিসফিস করলাম, “সৈকত, এটা ঠিক নয়।”

কিন্তু আমার ঠোঁট তার ঠোঁটে গেল। তার জিভ আমার মুখে, আমার শরীর কেঁপে উঠল। এটা কোনো প্ল্যান ছিল না—আমাদের কামনা আমাদের টেনে নিল।

18+ হলে এইটা miss করবেন না 👀

সৈকত আমার ট্যাঙ্ক টপ তুলে ফেলল, আমার কালো স্পোর্টস ব্রা ফুটে উঠল।

নদীর হাওয়ায় আমার ত্বক কাঁপছিল।

সে ব্রা খুলল, আমার দুধ মুক্ত—গোল, শক্ত, বোঁটা গাঢ় কফি, ফুলে উঠছে।

“তানিয়া, তুই পাহাড়ের মতো সুন্দর,” সে ফিসফিস করল।

আমি শীৎকার দিলাম, “সৈকত, আমার দুধে হাত দে।” ৫ মিনিট ধরে সে আমার দুধ চটকাল, বোঁটায় জিভ বোলাল।

আমি গোঙালাম, “উফ, তুই আমাকে জ্বালাচ্ছিস!” তার হাত আমার শর্টসে, প্যান্টি নামাল। আমার গুদ ভিজে চকচক, নদীর আলোয় ঝকঝক। ৫ মিনিট ধরে সে আমার পাছা চটকাল, আঙুল গুদের ফাঁকে ঘষল। আমি শীৎকার দিলাম, “আহ, সৈকত, আমার শরীর জ্বলছে!”

আমি তার শার্ট আর প্যান্ট খুললাম, তার ধন—৭ ইঞ্চি—শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে।

৮ মিনিট ধরে আমরা একে অপরকে ছুঁলাম, আমার দুধ তার বুকে ঘষল, পাছা তার হাতে কেঁপে উঠল। আমি ফিসফিস করলাম, “সৈকত, আমাকে নদীর মতো ভাসিয়ে দে।”

আমরা একটা বড় পাথরে বসলাম, আমি তার কোলে।

সৈকত আমার গুদে মুখ দিল, জিভ গভীরে ঢুকাল।

“তানিয়া, তোর গুদ নদীর মতো মিষ্টি,” সে গোঙাল।

৮ মিনিট ধরে সে আমার গুদ চুষল, জিভ ক্লিটে নাচাল।

আমি চিৎকার করলাম, “আহহহ, সৈকত, চাটো, গভীরে!”

আমার দুধ—গোল, বোঁটা শক্ত—নদীর হাওয়ায় ঝাঁকছিল।

সে উঠে আমার গুদে ধন ঢুকাল, আমি তার কোলে বসে ১২ মিনিট ধরে ঠাপালাম।

আমি শীৎকার দিলাম, “আহহহ, সৈকত, আমাকে ভরে দে!” আমার পাছা তার কোমরে ঘষছিল। সে ফিসফিস করল, “তোর গুদ আমার ধনের জন্য তৈরি।” আমি চিৎকার করলাম, “উফ, জোরে!”

আমরা নদীর অগভীর জলে নামলাম, পানি আমার কোমরে।

আমি একটা পাথরে হেলান দিলাম, সৈকত আমার পিছনে।

তার ধন আমার গুদে ঢুকল, ২০ মিনিট ধরে জোরে ঠাপাল।

আমার দুধ—গোল, বোঁটা ফুলে—জলে ভিজে ঝাঁকছিল।

আমি চিৎকার করলাম, “আহহহ, সৈকত, আমাকে নদীর মতো ভাসিয়ে দে!”

সে আমার দুধ চটকে বলল, “তোর শরীর আমার ধনের সাথে নাচছে।”

আমি শীৎকার দিলাম, “উফ, গভীরে!” আমার গুদ তার ধন চেপে ধরল, আমার শরীর কেঁপে প্রথম অর্গাজমে ভাসল। আমি চিৎকার করলাম, “আহহহ, আমি গেলাম!” আমার রস নদীর জলে মিশল।

আমরা নদী থেকে উঠে ঘাসে গেলাম, আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম, পাছা তার দিকে।

সৈকত আমার পিছনে, হাত আমার কোমরে। তার ধন আমার গুদে ঢুকল, ২০ মিনিট ধরে জোরে ঠাপাল। আমার দুধ—শক্ত, বোঁটা গাঢ়—ঘাসে ঝাঁকছিল। আমি চিৎকার করলাম, “আহহহ, সৈকত, আমাকে শেষ কর!” আমার পাছা তার কোমরে থপথপ ঘষছিল।

সে আমার পাছায় হালকা চড় মারল, বলল, “তোর গুদ আমার ধন গিলছে।” আমি শীৎকার দিলাম, “উফ, আরো জোরে!”

সৈকত আমাকে একটা পাথরে দাঁড় করাল,আমার একটা পা তার কাঁধে।

18+ হলে এইটা miss করবেন না 👀

তার ধন আমার গুদে ঢুকিয়ে ২২ মিনিট ধরে ঠাপাল।

আমার দুধ তার বুকে ঘষছিল। আমি চিৎকার করলাম, “আহহহ, সৈকত, আমাকে ভরে দে!” সে ফিসফিস করল, “তানিয়া, তুই আমার নদী।”

আমার পাছা তার হাতে কেঁপে উঠল। আমি শীৎকার দিলাম, “উফ, গভীরে!” আমার গুদ তার ধন চেপে ধরল, আমার শরীর কেঁপে দ্বিতীয় অর্গাজমে ভাসল। আমি চিৎকার করলাম, “আহহহ, আমি আবার গেলাম!”

আমরা নদীর তীরে শুয়ে পড়লাম, আমার শরীর জলে আর ঘাসে মাখা। সৈকত আমার গুদে মুখ দিল, জিভ গভীরে ঢুকিয়ে ৮ মিনিট চুষল। আমি চিৎকার করলাম, “আহহহ, সৈকত, চাটো আমাকে!” তার জিভ আমার ক্লিটে নাচল। সে উঠে আমার গুদে ধন ঢুকাল, ১২ মিনিট ধরে জোরে ঠাপাল। আমি শীৎকার দিলাম, “আহহহ, আমাকে শেষ কর!” শেষে তার বীর্য আমার গুদে ঝরল, গরম তরল আমার ভিতর ছড়াল।

আমরা ঘাসে শুয়ে হাঁপাচ্ছিলাম, নদীর শব্দ আমাদের কানে।

সৈকত ফিসফিস করল, “তানিয়া, তুই আমার জাফলংয়ের রহস্য।”আমি হাসলাম, “সৈকত, তুই আমার নদীর ঢেউ।” এটা কোনো জোর ছিল না, ভালোবাসাও নয়—একটা সম্মতির আগুন, যা নদীর তীরে জ্বলে উঠল। আমার মনে প্রশ্ন রইল—এটা কি শুধু কামনা, নাকি কিছু গভীরের শুরু?

18+ হলে এইটা miss করবেন না 👀

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Menu